অন্যান্য

তারাগঞ্জে আগুনে পুড়ে স্বপ্ন ছাই ফাতেমার

  তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: 1 January 2021 , 10:55:46 প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার ক্লান্তিতে ঠাই নাই শিশুদের, শীতের প্রভাবের হাত থেকে রেহাই পায়নি নিম্ন আয়ের মানুষ সহ শিশুরা। যে সময় পার করত খেলাধুলা আর স্কুলের বাড়ান্দায়। আর সে সময়েই জীবনের গতি যেন হার মানিয়ে দিলো ফাতেমাকে। খেলার সাথিই তার জীবনের গতিপথ পাল্টে দিয়েছে। পুড়ে গেছে পুরো শরীরের এক তৃতীয়াংশ। ঠাঁই হয়েছে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইনিস্টিটিউট।
এমনটাই ঘটেছে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর দৌলতপুর গ্রামের কিবরিয়া হোসেনের মেয়ে ফাতেমা আক্তার (৫) এর জীবনে। গত সোমবার দুপুরে একই এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে জাহিদ হাসান (৮)এর সাথে বাড়ির পাশে খেলছিল ফাতেমা।
জাহিদের দাদা আলেপ উদ্দিন বলেন, ঠিক দুপুর বেলা, মা জহুরা বেগমের সাথেই বাড়ির পাশে জাহিদ ও ফাতেমা খেলছিল। তখনেই হঠাৎ চিৎকার শুনে বাড়ির বাইরে দেখি ফাতেমার পুরো শরীরে আগুন।
রুবাইয়া আক্তার ও হাছিনুর রহমান সহ কয়েকজন বলেন, জাহিদ পলিথিনের মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে হাতে ঘুরিয়ে খেলছিল। ঠিক ওই সময় ফাতেমার গায়ের জামা কাপড়ে আগুন লেগে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ফাতেমাকে তারাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা খুব বেশামাল হওয়ায় রমেক হাসপাতালে নেন। কিন্তু চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইনিস্টিটিউটটে রেফার্ড করেন।
ফাতেমার বাবা কিবরিয়া মুঠোফোনে বলেন, আমার মেয়ের অবস্থা খুবেই আশংঙ্কা জনক, তাকে নিয়ে দুচিন্তায় আছি। বর্তমানে সে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইনিস্টিটিউটটের চতুর্থ তলা ১৬ নং বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরছে। আমি অসহায় দিন মজুর। ফাতেমার চিকিৎসায় সহযোগীতা ও প্রশাসনের কাছে আমার মেয়ের জীবনের এমন পরিস্থিতির জন্য জাহিদ সহ তার পরিবারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
ইউপি সদস্য আজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি জেনেছি,তবে খুবেই দুঃখ জনক। মেয়েটি এখন ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তারাগঞ্জ থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, এবিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

 

আরও খবর

Sponsered content

error: ছি ! ছি !! কপি করার চেষ্টা করবেন না ।