সারাদেশ

তিস্তা ব্রিজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমা ছুঁইছুঁই

  প্রতিনিধি 19 July 2020 , 8:09:22 প্রিন্ট সংস্করণ

তিস্তা ব্রিজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমা ছুঁইছুঁই

উজান থেকে নেমে আসা পানি ও গত শনিবার রাত থেকে রোববার পর্যন্ত টানা প্রবল বৃষ্টিতে কাউনিয়ার নিম্নাঞ্চলে আবারও বন্যা দেখা দিয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারনে হাজারও পরিবার পনি বন্দী হয়ে পড়েছে। তিস্তা নদীর পনি বৃদ্ধি পেয়ে নদী তীরবর্তী গ্রাম গুলোতে বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার ঢুসমারা,বিশ্বনাথসহ বেশ কয়েকটি চরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজারও মানুষ এখন পানি বন্দী। তারা পশু পাখি নিয়ে চরম বিপদে আছে বন্যা দুর্গত মানুষ। এছাড়াও বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় উচু এলাকার বিশেষ করে শহর এলাকার শতশত পরিবার জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে বন্যা এলাকা ও জলাবদ্ধ এলাকার মানুষ দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে।

সরেজমিনে বিভান্ন চরাঞ্চল ঘুরে দেখ গেছে গতকাল শনিবার রাত থেকে পানি বৃদ্ধি পেয়ে রবিবার বিকালে তিস্তা রেল সেতু পয়েন্টে নদীর পানি বিপদ সীমা ছুঁই-ছুঁই করছে। এতে করে উপজেলার ঢুষমারা,গোপিডাঙ্গা,পাঞ্জরভাঙ্গা, চর গদাই, পূর্ব নিজপাড়া, তালুকশাহাবাজ, হরিচরশর্মা, চর গনাই, গনাই, হয়বতরখাঁ, আজমখাঁ, টাপুর চর, বিশ্বনাথ, প্রাননাথ চর বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। গবাদি পশু পাখির খাদ্য সংকটসহ চরম বিপাকে পড়েছে মানুষ। এছাড়াও দেখাদিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। এলাকার আমন বীজতলা তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন এলাকায় পুকুরের মাছ পানির শ্রোতে ভেসে গেছে।

উপজেলার বদ্বীপ ঢুষমারা চরের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম জানায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকেছে, চরের প্রায় সব বাড়িতে একহাটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানি। নদীর পানি কিছুটা কমে আবারও ভয়ঙ্কর রুপ ধারন করেছে রোববার রাত ধেকে।

বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আনছার আলী জানান বানভাসী মানুষের মাঝে ইতোঃমধ্যে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে, বরাদ্দ পেলে আবার বিতরণ করা হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আহসান হাবিব সরকার জানান, বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে উপজেলা প্রশাসন আছে। আমরা সার্বক্ষনিক খোজ খবর রাখছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোছাঃ উলফৎ আরা বেগম জানান, বৃষ্টি ও উজানের পানিতে আবারও বেশ কিছু গ্রামে বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। আমরা সার্বক্ষনিব বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করছি।

আরও খবর

Sponsered content

error: ছি ! ছি !! কপি করার চেষ্টা করবেন না ।