সারাদেশ

থেমে গেছে কর্ম চঞ্চলতা কাউনিয়ার পাট পণ্য শিল্পীরা স্থায়ী বাজার চায়

  মোস্তাক আহমেদ 19 August 2020 , 5:46:39 প্রিন্ট সংস্করণ

থেমে গেছে কর্ম চঞ্চলতা কাউনিয়ার পাট পণ্য শিল্পীরা স্থায়ী বাজার চায়

‘হামরা পাট দিয়া দশ রকমের সোন্দর পণ্য বানাই আর সে গুলা শোভা পায় শহরের বড় লোকদের ঘরে,কোনো কোনো সময় হামার পণ্যের চাহিদা বেশী থাকে আবার কখনও কেউ নেয় না,তখন হামার মনোত খুব কষ্ট হয়,হামারা চাই হামার পণ্যের স্ধসঢ়;থায়ী বাজার। আক্ষেপের সাথে কথা গুলো বললেন উপজেলার পাট পণ্য তৈরীর দল নেত্রী পাঞ্জর ভাঙ্গা গ্রামের রাজিয়া সুলতানা। তিনি বলেন সংসার ধর্ম পালনের পাশাপাশি অবসর সময়ে নানা আল্পনায় গ্রাম বাংলার মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় উপকরণ তৈরী করে বাড়তি আয়ের
পথও খুঁজে নিয়েছিলো কিন্ত তাদের তৈরী পণ্যের স্থায়ী ও নির্দিষ্ট বাজার না থাকায় এখন তারা হারাতে বসেছে তাদের বুক ভরা আশা আর স্বপ্ন।

একই কথা বললেন রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার পাঞ্জর ভাঙ্গা,মালগোডাউন,নিজপাড়া গ্রামের গৃহিনী আয়শা,মমেনা,রাশেদা,আমেনা,মর্জিনা,শরীফা,আলবেদা ও কুলছুমরা। তারা জানায় তাদের নিজের হাতে পাটের দৃষ্টি নন্দন কারুপণ্য প্রথমে তাদের মনে বড় আশা জাগালেও তারা ভালো নেই। কারন হিসেবে ওঁরা জানায় দুই বছর আগেও তাদের পণ্যের ক্রেতা ছিলো। ক্রেতার ব্যবস্থা করে দিতে বিভিন্ন এনজিও কিন্ত এখন সেই এনজিও নেই আর ক্রেতাও নেই তাই তারা হতাশ জীবন যাপন করছে।

পাট পণ্য তৈরীর দল নেত্রী পাঞ্জর ভাঙ্গা গ্রামের রাজিয়া সুলতানা জানান ৩ বছর আগে এনজিও কেয়ারের ব্রিফ এবং এনজিও সীড এর কাছে পাট জাত পণ্য তৈরীর প্রশিক্ষণ নেয়। পরে মাল গোডাউন,নীজ পাড়া,গদাই ও পাঞ্জর নিজের গ্রামের ৮০ জন গৃহিনীদের নিয়ে দল গঠন করে এবং তাদের কাজ শিখিয়ে ব্যাগ, কার্পেট, পার্স, মানিব্যাগ, পাপোস, স্যান্ডেলসহ ১০ রকমের দৃষ্টি নন্দন পাটপণ্য তৈরী শুরু করেন। সেই সময় এনজিওরা ক্রেতা সংগ্রহ করে দিতো তাই প্রত্যেকেই মাসে দুই থেকে তিন হাজার টাকা রোজগার করতো কিন্ত এখন তারা নেই তাই ওঁদের তৈরী করা পণ্য ত্রেতাও পাওয়া যাচ্ছেনা বলে ওঁরা হতাশ হয়ে পড়েছে আর সেই সাথে থেমে গেছে ওঁদের কর্মময় জীবনের চঞ্চলতা।

আরও খবর

Sponsered content

error: ছি ! ছি !! কপি করার চেষ্টা করবেন না ।