সারাদেশ

বদরগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

  বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ 26 September 2020 , 4:59:44 প্রিন্ট সংস্করণ

বদরগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

রংপুরের বদরগঞ্জ সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজেদ আলির বিরুদ্ধে জাল ও
ভুয়া সনদ তৈরি করে কলেজেরই একজন প্রভাষককে হেনস্তা করার প্রতিবাদে
সংবাদ সন্মেলন করেছেন ভুক্তভোগি প্রভাষক শামিম আল মামুন।

শনিবার (২৬সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানিয় বদরগঞ্জ রিপোটার্র্স ক্লাবে এ সংবাদ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগি প্রভাষক শামিম আল মামুন জানান, বদরগঞ্জ সরকারি কলেজে তিনি একজন বাংলা বিভাগের প্রভাষক।

২০১২সালে কলেজ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ন হই। যা এনটিআরসিএ কর্তৃক যাচাইয়ে
সঠিক প্রমানিত হয়। অথচ কলেজ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজেদ আলি আমার নামে
এনটিআরসির জাল ও ভুয়া সনদ তৈরি করে আমাকে হেনস্তা করার চক্রান্তে লিপ্ত।

কারন হিসেবে তিনি জানান, কলেজের একাউন্ট্স বিভাগের কাছে তার (অধ্যক্ষ) প্রায় ৪৬লক্ষ ৩৬হাজার টাকা দায় রয়েছে।
বিষয়টি অডিট হওয়ার পর তার (অধ্যক্ষ) বিপক্ষে অবস্থান নেয়ার কারনে আমার উপর অধ্যক্ষ মাজেদ আলি ক্ষিপ্ত হয়।

শুধু তাই নয়,আমার বিরুদ্ধে তৈরিকৃত জাল সনদ কর্তৃপক্ষের নিকট সরবরাহ করে অধ্যক্ষ। যার স্বারক নং বসক সনদ যাচা্ইপত্র প্রেরন/৬৮/২০২০।

স্বারক নং৩৭,০৫০০০০০১০;০৫,০০২,২০১৬৬০স্বারকে আমার নামে একটি এনটিআরসিএ কর্তৃক ভুয়া নামে যাচাই করে আনেন।

অথচ আমি সেই সময়ে এমএ শেষ বর্ষ পরীক্ষার সনদই অর্জন করি না্ই।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও জানান,অধ্যক্ষ আমার বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা দিয়ে
আমাকে জেল খাটানোর পায়তারা করছে।

অডিট কমিটির আহবায়ক,সহকারি অধ্যাপক(ইংরেজি)সুনীল চন্দ্র সরকার জানান,আমরা অডিট করে পেয়েছি কলেজ তার (অধ্যক্ষ) কাছ হতে প্রায় ৪৬লক্ষ ৩৬হাজার টাকা দায় রয়েছে। এ বিষয়টিকে ঢাকতে তিনি প্রতারনার আশ্রয় নিচ্ছেন।

এর পুর্বেও তিনি নিরঞ্জন কুমার রায় নামে
বাংলা বিভাগের একজন শিক্ষককে ভুয়া সনদ দিয়ে ফাসিয়েছে। ওই শিক্ষক
বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে। একই কথা বলেন,জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকি।

বিষয়টি জানতে কলেজ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজেদ আলির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়। পারলে তিনি প্রমান করুক।

আরও খবর

Sponsered content

error: ছি ! ছি !! কপি করার চেষ্টা করবেন না ।