সারাদেশ

মাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা পাল্টা পাল্টি অভিযোগ

  বঙ্গ ডেস্ক 14 September 2020 , 1:16:54 প্রিন্ট সংস্করণ

মাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা পাল্টা পাল্টি অভিযোগ

নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের দক্ষিন সিঙ্গেরগাড়ী সাতঘরি পাড়া গ্রামে পুকুরে বিষ দিয়ে মৃত্যু খয়ের উদ্দিনের ছেলে আনিছুর রহমান (৪৮) এর মাছ নিধন করার অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, হাফিজুর রহমান গং ও ফজলু মিয়া গং উভয়ের মধ্যে জমি সংক্রন্ত ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে জমি দখল পায়তারা সহ নানা কারণে মামলা হামলা ও একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের সিঙ্গেরগাড়ী সাতঘরি পাড়া গ্রামের মৃত্যু বদি উদ্দিন সরকারের ছেলে হাফিজুর রহমান প্রায় দেড় যুগ পূর্বে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ছেলে রেজাউল করিম সহ নিজ নামে মোট ৮৫ শতক জমির সাব কবলা দলিল একই এলাকার মৃত্যু পদার মাহমুদের ছেলে ফজলু মিয়া (৬২) মৃত্যু ফয়েজ উদ্দিন (৫৫) নয়া মিয়া (৫২) উভয়ের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেন।

গত বৃহস্পতিবার সকাল বেলা জমি সংক্রান্ত জের ধরে সাতঘরি পাড়া গ্রামের মৃত্যু পদার মাহমুদের ছেলে নয়া মিয়া, ফজলু মিয়া সহ তার লোকজন ওই পুকুরে বাঁশ ঝার ফেলেন। পরের দিন শুক্রবার দিবাগত রাতে ওই পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করেছে বলে অভিযোগ করেন আনিছুর রহমান।
হাফিজুর রহমানের জামাতা হিসেবে ওই জমি ও পুকুরে মাছ চাষ করে আসছেন বলে জানা গেছে। আনিছুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমার শশুরের ক্রয়কৃত ওই জমিতে পুকুর খনন করে আমি দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছি। তবে প্রায় সময় ওই ক্রয়কৃত জমি লাঠিয়াল বাহিনী ও ভূমিদস্যূ দিয়ে আমাদের উপর নানা ভাবে অন্যায় অত্যাচার ও মামলা হামলা করা হয়েছে। আমার পুকুরে শুক্রবার দিবাগত রাতে বিষ প্রয়োগ করে চার থেকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মাছের ক্ষয়ক্ষতি করেছেন ফজলু গং ও তার বাহিনী।
জোবায়ের হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমরা আমাদের জমিতে মাগুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক সিহাবের নির্দেশে বাঁশ ঝাড় দিয়েছি। কারো কোন জমি দখল করিনি। পরিকল্পিত ভাবে আমাদের উপর মিথ্যা মামলা দেওয়ার জন্য আনিছুল নিজেই নাটক সাজিয়েছেন।
এদিকে গত ২২ শে আগস্ট হাফিজুর রহমানের ক্রয় কৃত সম্পত্তিতে সিমেন্টের পিলার, জিআই তার ভেঙ্গে প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করে মর্মে কিশোরগঞ্জ থানায় পদার মাহমুদের ছেলে নয়া মিয়া, ফজলু মিয়া, নয়া মিয়ার স্ত্রী বানু বেগম (৪২) ও ছেলে বিদুৎ হোসেন (৩০), রিতু মিয়া (২৫), বকুল মিয়া @ টোনা এবং ফজলু মিয়ার স্ত্রী জোবেদা বেগম (৪৫) সহ ৮ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে এ এস আই জুয়েল বলেন, ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি, কাগজ পত্র দেখেছি অল্প কয়েক দিনের মধ্যে একটি প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে প্রেরণ করবো।
কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুুল আউয়াল বলেন, ওই ঘটনায় পৃথক দুটি অভিযোগ পেয়েছি। সঠিক তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর

Sponsered content

error: ছি ! ছি !! কপি করার চেষ্টা করবেন না ।